আধুনিক ব্যবস্থাপনার জনক কে – আধুনিক অফিস ব্যবস্থাপনা

আধুনিক ব্যবস্থাপনার জনক: এটি কার্যকরভাবে পরিচালিত হলে, এটি কর্মীদের উত্সাহিত এবং উন্নত করতে সাহায্য করতে সাহায্য করতে পারে এবং সংস্থার কার্যক্ষমতা এবং উন্নতি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে।

আধুনিক অফিস ব্যবস্থাপনা

আধুনিক অফিস ব্যবস্থাপনা তাত্ত্বিকভাবে কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে বলা হয় না, তবে এটি সম্পূর্ণ কর্মশীলতা, প্রযুক্তি, সংস্থানিক প্রবন্ধন, এবং সমন্বিত কাজের নীতি-প্রক্রিয়া ব্যবহার করে সমৃদ্ধ করার উদ্দেশ্যে ব্যবস্থাপনা পদ্ধতির সমন্বয়ে প্রযুক্তি এবং সামাজিক পরিবর্তনের সাথে মিলিত হয়।

আধুনিক অফিস ব্যবস্থাপনা অবশ্যই ব্যক্তিগত কৌশল, সময় ব্যবহার, দক্ষ কর্মী সংগঠন, উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার, মৌলিক যোগাযোগ প্রক্রিয়া, এবং উদ্যোগের প্রস্তাবনা সহ একাধিক উপায়ে সম্প্রদায়ের প্রতি যোগদান এবং সেবা প্রদান করার জন্য উদ্যোগশীল সম্প্রদায়ের সাথে মিলিত হয়।

 এটি কার্যকরভাবে পরিচালিত হলে, এটি কর্মীদের উত্সাহিত এবং উন্নত করতে সাহায্য করতে সাহায্য করতে পারে এবং সংস্থার কার্যক্ষমতা এবং উন্নতি বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে।

আধুনিক ব্যবস্থাপনার জনক কে

  • আধুনিক ব্যবস্থাপনার জনক হেনরি ফেওল

বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা হলো একটি পদ্ধতি যার মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়া এবং তথ্যগত উপাত্তগুলি ব্যবসায়িক প্রস্তুতি, নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনা করা হয়।

এর মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক শোধ এবং প্রযুক্তির ব্যবহার করে নতুন উদ্ভাবন, উন্নতি এবং উন্নত ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়াগুলি পূর্ণ করা হয়। 

এর লক্ষ্য হলো দ্বিধা এবং অনিশ্চয়তা কমাতে, তথ্যের ভিত্তিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে ব্যবস্থাপনা করা, এবং বৈজ্ঞানিক শোধ এবং উন্নতির মাধ্যমে নতুন সমস্যা সমাধান করা। বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা মাধ্যমে বৈজ্ঞানিক মেথডগুলি ব্যবহার করে সমস্যা সমাধান কার্যকর নির্ধারণ করা হয়।

এটি সংশোধনীয় তথ্য, তথ্য ব্যবস্থাপনা, পরিসংখ্যান, উপাত্ত, পরিস্থিতি সংবর্ধন, উন্নত প্রযুক্তি এবং সম্প্রসারণ ব্যবহার করে। বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা দ্বারা দেশীয় এবং আন্তর্জাতিক স্তরে বৈজ্ঞানিক অনুসন্ধান এবং প্রযুক্তির উন্নতি, উৎপাদনশীলতা এবং নৈতিক সামর্থ্য বৃদ্ধি করা হয়

বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার জনক কে

বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনার জনক F.W.Taylor তার বিখ্যাত গ্রন্হ The Principles of Scientific Management. ব্যবস্থাপনা কাকে বলে। ব্যবস্থাপনা কত প্রকার ও কি কি

ব্যবস্থাপনা হলো একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে একটি সংস্থা বা প্রকল্প নির্দিষ্ট লক্ষ্যে উচ্চ স্তরে পরিচালিত হয়। এটি উদ্দেশ্যগুলি অর্জন করার জন্য সামগ্রিক পরিকল্পনা, সম্পর্ক পরিচায়িত নীতি এবং সম্প্রদায়ের প্রতি দায়িত্ব শখনির্মাণ করে।

ব্যবস্থাপনা কাজের প্রস্তুতি, পরিকল্পনা, সম্পর্ক সংগঠনের ভাগীদার সম্প্রদায়ের সাথে সম্পর্ক পরিচায়িত নীতি এবং দক্ষ মানুষ নিয়োগের মাধ্যমে বৃদ্ধি উন্নতি নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।

 এটি ব্যক্তিগত এবং সামাজিক লক্ষ্যে কাজ করে এবং সংস্থা বা প্রকল্পের সামগ্রিক উন্নতি ও পরিপ্রেক্ষিত সাফল্য নিশ্চিত করতে মৌলিক।

ব্যবস্থাপনা বিভিন্ন প্রকারে থাকতে পারে, যেমন:

১.প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা: সংস্থার দৈনিক কার্যক্রম ও প্রশাসন পরিচালনা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা।

২.প্রকল্প ব্যবস্থাপনা: একটি নির্দিষ্ট প্রকল্প পরিচালনা করার জন্য ব্যবস্থাপনা।

৩.রিসোর্স ব্যবস্থাপনা: সংস্থার রিসোর্স যেমন মানুষ, অর্থ, সময় ইত্যাদি পরিচালনা করার জন্য ব্যবস্থাপনা।

৪.পরিস্থিতি ব্যবস্থাপনা আপাতকালীন ঘটনাগুলির প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করার জন্য ব্যবস্থাপনা।

৫.মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা: কর্মকর্তাদির প্রগতি, উন্নতি এবং উন্নতির প্রোত্সাহন সহ মানব সম্পদ পরিচালনা করার জন্য ব্যবস্থাপনা।

৭.বিতর্ক ব্যবস্থাপনা: সংস্থার ভিতরে উত্থাপন ও সমস্যা সমাধানে বিতর্ক ব্যবস্থাপনা ব্যবহার করা।

৯.ডেটা ব্যবস্থাপনা: তথ্য এবং ডেটা সংরক্ষণ, প্রক্রিয়াকরণ, এবং ব্যবহারের জন্য ব্যবস্থাপনা।

১০.পরিবর্তনের ব্যবস্থাপনা: প্রবৃত্তি, নীতি প্রক্রিয়ার ব্যবস্থাপনা মাধ্যমে পরিবর্তন নিয়ে আসার জন্য পরিকল্পনা এবং ব্যবস্থাপনা।

১১.ব্যবস্থাপনা উন্নতি: ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি, সুচনা, এবং প্রক্রিয়ার উন্নতি ও অদ্যতন ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তিগত উন্নতির সাথে মেলা।

১২.ক্রিয়াকলাপ ব্যবস্থাপনা: পূর্ণ কর্মদক্ষতা, প্রদর্শন মূলক মানবসম্পদ ব্যবহার এবং কার্যক্রমের ব্যবস্থাপনা।

১৩.রসিকতা ব্যবস্থাপনা: কর্মীদের মনোবিকার, উৎসাহ, এবং সৃজনশীলতা বৃদ্ধির জন্য ব্যবস্থাপনা।

১৪.বাজেট ব্যবস্থাপনা আর্থিক সম্পদ ও সম্পদ ব্যবহারের ব্যবস্থাপনা, বাজেট পরিকল্পনা, অনুসারণ।

প্রতিটি ধারণার সাথে, ব্যবস্থাপনার বিভিন্ন মৌলিক দিক আছে যা সংস্থার কার্যক্রম ও লক্ষ্যের উচ্চতা নিশ্চিত করার জন্য ব্যবহার হয়।

আধুনিক ব্যবস্থাপনার জনক কে
আধুনিক ব্যবস্থাপনার জনক কে

ব্যবস্থাপনা চিন্তাধারা কাকে বলে

ব্যবস্থাপনার মূলনীতিগুলো কি কি ব্যবস্থাপনার মূলনীতিগুলো হলো:

১.কর্মীর উন্নতি ও সন্তুষ্টতা: কর্মীদের উন্নতি ও সন্তুষ্টতা অনুমোদন করা এবং তাদের প্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ এবং উন্নতি সরঞ্জাম প্রদান করা।

২.কার্যকরী সংগঠন এবং প্রবন্ধন: সঠিক সংগঠন প্রণালী এবং কার্যকরী প্রবন্ধন প্রক্রিয়া ব্যবহার করে কর্মীদের কার্যক্রম এবং সময় নিয়ন্ত্রণ করা।

৩.প্রযুক্তি ব্যবহার: সম্প্রদায়ে উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে কাজের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কার্যক্ষমতা বাড়ানো।

৪.উন্নত কাজের পদ্ধতি: প্রক্রিয়াগত উন্নতি এবং কাজের পদ্ধতি মাধ্যমে কাজের দক্ষতা এবং কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করা।

৫.সামাজিক যোগাযোগ এবং সমন্বিততা: সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সমন্বিত দক্ষতা এবং সমন্বিততা প্রবৃদ্ধি করা।

৬.কার্যকর নীতি-প্রক্রিয়া: উন্নত কাজের নীতি-প্রক্রিয়া উত্থাপন এবং পরিচালনা করে প্রদান করা।

৭.উদ্যোগ এবং নলেজ শেয়ারিং: কর্মীদের উদ্যোগ উৎসাহিত করে এবং জ্ঞান শেয়ারিং বৃদ্ধি করে কাজের গুনগত পারিপ্রেক্ষ্য সৃষ্টি করে।

৮.সামাজিক দায়িত্ব: কর্মীদের সামাজিক দায়িত্ব বৃদ্ধি এবং সম্প্রদায়ের সাথে যোগাযোগ বজায় রাখা।

৯.দৃষ্টি ও লক্ষ্য: উদ্দেশ্য সঠিকভাবে স্থির করে এবং কর্মীদের মতামত এবং যোগাযোগ দ্বারা তা পরিবর্তনে সাহায্য করে।

১০.উচ্চ মানদণ্ড: মানদণ্ড ও সৃজনশীল কার্যকর পদ্ধতির মাধ্যমে উচ্চ মানদণ্ডের বজায় রাখা এবং প্রাপ্ত করার প্রতিশ্রুতি দেওয়া। এগুলি মিলে একটি ব্যবস্থাপনা প্রণালী তৈরি করে, যা কোম্পানি বা সংস্থা কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি এবং উন্নতি অর্জনে সাহায্য করে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *